সূরা কাহফ: সংবাদ পর্যবেক্ষণ

আলোচনা শুনছিলাম রাসূল (সা.) এর বংশধর, বিজ্ঞ আলেম শায়খ আহমেদ সা’দ আল আযহারির (Ahmed Saad Al-Azhari) কন্ঠে। খুবই সুস্পষ্ট, সাবলীল ও বর্তমানকে সম্পর্কিত করে বলে যাচ্ছিলে একের পর এক ঘটনাক্রম। শ্রুতাদের একবার গভীর চিন্তায় নিমজ্জিত করছেন তো পরক্ষণে আবার বাস্তবতা উপলব্ধি করে ভবিষ্যত কর্মপন্থা নির্ধারনের দিকনির্দেশনা দিয়ে যাচ্ছিলেন। খুবই বরকতময় ছিল সময়টুকু, আলহামদুলিল্লাহ্। দু’দিনে ৮ ঘন্টা এবং ৬ ঘন্টা মিলে সর্বমোট ১৪ ঘন্টা যেন ১৪ মিনিটে শেষ হয়ে গেল। এমনই হয়!

বলছিলেন সূরা কাহফের মুসা (আ.) ও খিজির (আ.) এর ঘটনা। আচ্ছা এই ঘটনার মূল শিক্ষা কি বর্তমান সময়ের জন্য কেউ কি চিন্তা করেছেন?
শায়খ বলে যাচ্ছেন যার মোটামোটি সারসংক্ষেপ হলো, বর্তমান সময়ের (দাজ্জালিক) মিডিয়ার ক্ষতিকর দিক থেকে বেঁচে থাকার শিক্ষা মুসা (আ.) ও খিজির (আ.) এর ঘটনা থেকে নিতে হবে। খিজির (আ.) যখন মুসা (আ.) কে নিয়ে উচ্চতর জ্ঞানের সফরে বের হবেন, তখন তিনি মুসা (আ.)‘কে একটা শর্ত দিয়েছিলেন, তা হলো, যাত্রাপথে যা কিছুই ঘটতে দেখবে ধৈর্য ধরে পর্যবেক্ষণ করবে কিন্তু কোন প্রশ্ন করা যাবে না।


এখানে শিক্ষাটা হলো, মিডিয়ায় আপনি শত শত খবর পাবেন প্রতিদিনই। কিন্তু এসব খবর পাওয়ার সাথে সাথে প্রতিক্রিয়া না দেখিয়ে অপেক্ষা করুন। কিছু দিন পর্যবেক্ষণ করুন আসলে ঘটনা কি ঘটতে যাচ্ছে। যদি খবর পড়া মাত্রই প্রতিক্রিয়া দিতে যান বা একটা উপসংহারে চলে আসেন তাহলে আপনার উপসংহার বা সিদ্ধান্ত ভুল প্রমানিত হওয়ার সম্ভাবনায় বর্তমান সময়ে বেশী।

পুনশ্চ:
১। জ্ঞানীদের জন্য ইশারায় যথেষ্ট।
২। এই লিখাটি সবার জন্য নহে।